রাজ্যসভায় পেশ ওয়াকফ বিল, সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির দাবি কিরেন রিজিজুর
নিজস্ব প্রতিনিধি, দিল্লি – টানা ১২ ঘণ্টা ধরে তর্ক-বিতর্ক, হট্টগোলের পর অবশেষে বুধবার গভীর রাতে লোকসভায় পাশ হয় ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল ২০২৪। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজ্যসভায় এই বিল পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। এই বিল নিয়ে তুমুল বাগবিতণ্ডার সম্ভাবনা রয়েছে রাজ্যসভাতেও। এবার ওয়াকফ (সংশোধনী) বিলের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধির দাবি করলেন কিরেণ রিজিজু।
এদিন কিরেণ রিজিজুর দাবি, “ওয়াকফ বোর্ড শুধুমাত্র নজরদারি রাখবে, ওয়াকফ সম্পত্তির উপর কর্তৃত্ব ফলাবে না। আমি কংগ্রেস ও তার সহযোগী দলগুলির কাছে এই বিলকে সমর্থনের দাবি জানাচ্ছি। রাজ্যসভা সদস্যদের তিনি জানান, আজ পর্যন্ত ৮.৭২ লক্ষ ওয়াকফ সম্পত্তি রয়েছে। ২০০৬ সালে সাচার কমিটির অনুমান হিসেবে ওয়াকফ সম্পত্তি থেকে আয়ের পরিমাণ ছিল ১২,০০০ কোটি টাকা। তাহলে আপনারা সহজেই অনুমান করতে পারেন যে, আজকের দিনে সেই আয় কত গিয়ে ঠেকবে? এই বিল কারও ধর্মীয় স্বাধীনতায় আঘাত হানবে না। নতুন আইনে সেই রাজস্ব বাড়বে।“
উল্লেখ্য, বর্তমানে রাজ্যসভায় মোট আসন ২৪৫। যদিও কয়েকটি আসন ফাঁকা থাকায় ম্যাজিক ফিগার ১১৯। এই মুহূর্তে এনডিএ ভুক্ত দলগুলির সাংসদ সংখ্যা ১২৫। এর মধ্যে শুধুমাত্র বিজেপির রাজ্যসভা সাংসদ সংখ্যা ৯৮। জেডিইউয়ের সাংসদ সংখ্যা ৪, এনসিপির সাংসদ সংখ্যা ৩, টিডিপির সাংসদ সংখ্যা ২। মনোনীত সাংসদ ৬ জন। এনডিএ ভুক্ত ছোট দলগুলির সাংসদ ১২ জন। বিরোধীদের সাংসদ সংখ্যা ৮৮। এর মধ্যে ২৭ জন কংগ্রেস সাংসদ। তৃণমূলের ১৩, আপের সাংসদ সংখ্যা ১০। এছাড়া ওয়াইএসআর কংগ্রেস (৭), বিআরএস (৪), এআইএডিএমকে (৩), বিএসপি (১) এবং মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্ট (১) নিজেদের অবস্থান এখনও স্পষ্ট করেনি।